Skip to content

পাতা আর জল বাড়ান, কিন্তু সময় একই রাখুন। দশ কাপের হাঁড়িতে এক কাপের দশ গুণ পাতা, জল আর দুধ লাগবে, আর আঁচে মোটামুটি সেই তিন মিনিটই। ভিড়ের চা এই একটা ভুলেই নষ্ট হয় যে বড় হাঁড়ি দেখে সেটাকে বেশিক্ষণ ফুটিয়ে ফেলা হয়। চওড়া পাত্র নিন, পাতা আগে জলে ফোটান, আর তৈরি হওয়া মাত্র ছেঁকে নিন।

বাড়িভর্তি লোকের চা নির্দিষ্ট কয়েকটা ভাবেই নষ্ট হয়, আর প্রতিটা কারণ এই একটা ভুল ধারণা থেকেই আসে যে বড় হাঁড়ি মানে ছোট হাঁড়িরই মতো, শুধু বেশি ভরা। সেটা আলাদা আচরণ করে, আর বারোজন অপেক্ষা করে দাঁড়ানোর আগে এটা জানা ভালো।

দশ কাপের জন্য কত পাতা?

দশ ভরা চা-চামচ, প্রায় 30 গ্রাম, 5 কাপ জল আর 5 কাপ পুরো সরওয়ালা দুধ সহ। এটাই সেই আধাআধি অনুপাত, বাড়িয়ে নেওয়া, আর এতে সেই মাপের দশটা ছোট কাপ হয় যে মাপে চা সত্যিই খাওয়া হয়, দশটা মগ নয়।

চা বাড়ানো: উপকরণ বাড়ে, ঘড়ি বাড়ে না
কাপ আসাম সিটিসি জল পুরো সরওয়ালা দুধ
4 4 ভরা চা-চামচ, প্রায় 12 গ্রাম 2 কাপ 2 কাপ
10 10 ভরা চা-চামচ, প্রায় 30 গ্রাম 5 কাপ 5 কাপ
20 প্রায় 60 গ্রাম 10 কাপ 10 কাপ
50 প্রায় 150 গ্রাম 25 কাপ 25 কাপ

চিনি একমাত্র জিনিস যা চোখ বুজে বাড়ানো যায় না, কারণ ঘরভর্তি লোক সেটা নিয়ে একমত হবে না। দশ কাপের বেশি হলে হালকা মিষ্টি বানান আর চিনি টেবিলে রাখুন।

চওড়া পাত্র নিন, লম্বা নয়

চওড়া পাত্রে বেশি পৃষ্ঠতল মেলে, তাতে চা সমানভাবে গরম হয় আর রং দেখা যায়। লম্বা সরু হাঁড়ি তলা থেকে গরম হয়, দুধ তলা ধরে, আর চোখ সরালেই উথলে পড়ে।

যে পাত্রই হোক, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভরবেন না। ভিড়ের চা এক কাপের তুলনায় অনেক দ্রুত ওঠে, আর বড় হাঁড়ি উথলে পড়লে চা আর উনুন দুটোই যায়।

বেশিক্ষণ ফোটাবেন না

এটাই আসল ভুল। বড় হাঁড়িতে ফুটতে বেশি সময় লাগে, আর সেটার মানে ধরে নিতে ইচ্ছে করে যে তৈরি হতেও বেশি সময় লাগবে। তা নয়।

যে সময়টা গোনার সেটা শুরু হয় তখন থেকে যখন চা সত্যিই ফুটছে:

  1. জল, পাতা আর থেঁতো করা আদা পাত্রে। জোরে ফোটান আর পুরো এক মিনিট সেখানেই রাখুন।
  2. দুধ আর চিনি দিন। আবার মৃদু আঁচে আনুন।
  3. আরও দুই থেকে তিন মিনিট, যতক্ষণ না রং গাঢ় লালচে বাদামি হয়।
  4. আঁচ নিভিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছেঁকে নিন।

ঘড়ি বাড়ে না। দশ গুণ পরিমাণেও দুধ পড়ার পর সেই প্রায় তিন মিনিটই লাগে।

পাত্র থেকে সঙ্গে সঙ্গে ছেঁকে নিন

বড় ব্যাচের জন্য সবচেয়ে কাজের অভ্যাস। চায়ের হাঁড়ি পাতাসহ পড়ে থাকলে বাকি তাপে নিষ্কাশন চলতেই থাকে, আর দ্বিতীয় দফা ঢালা পর্যন্ত সেটা তেতো হয়ে গেছে।

পুরো ব্যাচ তৈরি হওয়া মাত্র দ্বিতীয় পাত্রে, ফ্লাস্কে বা জগে ছেঁকে নিন। সেটা মিনিট কুড়ি ভালো থাকবে আর সবাই একই কাপ পাবে।

আগে থেকে বানিয়ে রাখা

রাখা যায়, একটা সীমা পর্যন্ত, আর সেটা আবার গরম করার চেয়ে ভালো।

বানান, ছাঁকুন, আর আগে থেকে গরম করা ফ্লাস্কে রাখুন। সেটা প্রায় আধ ঘণ্টা ভালো থাকে। যা করবেন না তা হল আগে বানিয়ে ঠান্ডা হতে দিয়ে আবার ফোটানো: আবার গরম করা চা মানে দুবার ফোটানো চা আর সেটা সবসময় রুক্ষ হয়েই ফেরে।

লোকজন অনেকক্ষণ ধরে আসতে থাকলে এক বড় ব্যাচ গরম রাখার বদলে দুটো ছোট ব্যাচ বানান।

বাইরে বানালে বা ছোট উনুনে

ছোট বার্নারে বড় হাঁড়ি জোরালো ফুটন্ত অবস্থা ধরে রাখতে পারবে না, আর রঙের অপেক্ষায় আপনি পনেরো মিনিট মৃদু আঁচে বসে থাকবেন। এক বার্নারে এক বড় পাত্রের চেয়ে দুই বার্নারে দুটো মাঝারি পাত্র সবসময় ভালো।

এক নজরে

  • কাপ প্রতি এক ভরা চা-চামচ সিটিসি, প্রায় 3 গ্রাম। পরিমাণ বাড়লেও এটা বদলায় না।
  • জল আর পুরো সরওয়ালা দুধ সমান সমান।
  • জলে এক মিনিট জোরে ফোটানো, দুধের পর দুই থেকে তিন মিনিট। ঘড়ি বাড়ে না।
  • চওড়া পাত্র, বড়জোর দুই-তৃতীয়াংশ ভরা।
  • পুরো ব্যাচ সঙ্গে সঙ্গে ছেঁকে নিন।
  • চিনি টেবিলে, হাঁড়িতে নয়।

লিখেছে গণেশ প্রিমিয়াম টি, মুম্বইয়ের পরিবার, যারা 1986 সাল থেকে একটাই কড়া আসাম সিটিসি বানিয়ে আসছে। আমাদের সম্পর্কে আরও।

পড়ে এটুকুই হয়।

যে চা নিয়ে এত কথা, 100 গ্রাম থেকে 1 কেজি, সারা ভারতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

চা কিনুন